সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১২

শায়খুল হাদিস: ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান

জহির উদ্দিন বাবর দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমাদৃত অভিভাবকতুল্য আলেম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ. গত ৮ আগস্ট বুধবার চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে। তার এই চলে যাওয়ায় বাংলাদেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। এদেশে আলেমের সংখ্যা কম নয়, তবে শায়খুল হাদিসের মতো সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও পূর্ণাঙ্গ আলেমের সংখ্যা নিতান্তই কম। দীর্ঘ ৯৪ বছরের জীবনে তিনি দেশ ও জাতিকে দিয়েছেন অগণন। কর্মের ব্যাপ্তি ও অবদানের বিশালতায় শায়খুল হাদিস ছিলেন এদেশের আলেমদের মধ্যে অনন্য-অসাধারণ। বহুমুখী পরিচয়ের যোগসূত্রতা সম্পৃক্ত হয়েছিল তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। এর ফলে তিনি ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছিলেন। ‘শায়খুল হাদিস’ বললে একক কোনো ব্যক্তি নয়, মনে হতো এটি একটি সফল প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের উপকার ভোগ করেনি এমন মানুষ খোঁজে পাওয়া মুশকিল। বাংলাদেশে নিকট অতীতে এমন প্রভাবশালী, সর্বপ্লাবী ব্যক্তিত্ব ও কর্মমুখর আলেম আর অতীত হয়নি। তার ব্যক্তিত্বের বিশালতা ছুঁয়ে দেখার মতো ছিল না, বিষয়টি ছিল অনুভবের। বাংলাদেশে হাজারো ‘শায়খুল হাদিস’ থাকা সত্ত্বেও উপাধিটি তার সঙ্গে যেভাবে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত হয়েছিল তা আর কারো ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। এই উপাধির ওজন বহন করার মতো যোগ্যতা পুরোপুরি তার ছিল। ‘শায়খুল হাদিস আল্লামা’ আজকাল যে কারো নামের সঙ্গে যোগ করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সম্মানসূচক এই উপাধিটি ‘আজিজুল হক’ নামটির সঙ্গে যেভাবে ফিট হতো কারো ক্ষেত্রে তেমনটা আর হয় না। শুধু যোগ্যতা ও অবদানেই নয়, ব্যক্তিত্বেও তিনি ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ। সারল্য ছিল তার সহজাত প্রকৃতি। তার অমায়িক ব্যবহারে সবাই ছিল মুগ্ধ। তিনি মানুষকে মূল্যায়ন করতেন এবং সম্মান দিতেন। মতের ও আদর্শের ভিন্নতা সত্ত্বেও কারো সঙ্গে তার মনোমালিন্য প্রকাশ্য রূপ ধারণ করেনি। ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের নির্মূলই ছিল তার জীবনের প্রধান মিশন। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে তিনি বেশি মূল্যায়ন করতেন আদর্শকে। আদর্শের ব্যাপারে তার কোনো আপস ছিল না। প্রতিকূল পরিবেশেও ন্যায্য কথাটি বলে দিতে কুণ্ঠিত হতেন না। নিষ্পাপ ও নিষ্কলুষতার একটি ছাপ ছিল তার প্রতিটি কথা ও কাজে। ঘনিষ্ঠভাবে যারা তাকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন তারা জানেন, সবাইকে সহজে আপন করে নেয়ার কী মহৎ গুণটি ছিল তার মধ্যে। শায়খুল হাদিসের প্রধান অঙ্গন ছিল শিক্ষকতা। একজন আদর্শ শিক্ষকের যা গুণ হওয়া উচিত সবই ছিল তার মধ্যে। আজীবন তিনি হাদিসশাস্ত্রের অধ্যাপনা করেছেন। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি হাদিসের পাঠদান করেছেন বেশ কয়েক বছর। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় হাদিসের সবচেয়ে বিশুদ্ধ কিতাব বুখারি শরিফের পাঠদান করতেন। তিনি যে মাদ্রাসায় পড়াতেন সেখানে সারা দেশের ছাত্ররা এসে ভিড় জমাতো। তার পাঠদান পদ্ধতিটি ছিল খুবই উপভোগ্য। হাদিস ও ফিকাহ শাস্ত্রের জটিল জটিল বিষয় তিনি পানির মতো সহজ করে উপস্থাপন করতে পারতেন। নানা উপমা, আনুসঙ্গিক ঘটনা এবং নিজের বিচিত্র জীবনের অভিজ্ঞতার মিশেলে তিনি পাঠদান করতেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তার ক্লাসে বসেও ছাত্ররা বিরক্তিবোধ করতো না। জীবনের শেষ প্রান্তে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যা সত্ত্বেও তিনি যখন পড়াতেন মনে হতো কোনো যুবক শিক্ষকের প্রাণবন্ত ক্লাস চলছে। তার জানার ভাণ্ডার এতটাই সমৃদ্ধ ছিল যে, কোনো বিষয়ে তাকে ভেবেচিন্তে জবাব দিতে হতো না। প্রতিটি শাস্ত্র ছিল তার নখদর্পণে। পাঠ্যের বাইরেও ছাত্রদের জীবনচলার নানা দীক্ষা পাওয়া যেতো এই মহান শিক্ষকের কাছ থেকে। তার মতো ছাত্রপ্রাণ শিক্ষক খুব কমই আছেন। বাংলাদেশের এমন কোনো থানা-ইউনিয়ন পাওয়া যাবে না যেখানে শায়খুল হাদিসের ছাত্র বা ছাত্রের ছাত্র নেই। দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রিয় ছাত্রদেরই তিনি নিজের সম্পদ মনে করতেন। শায়খুল হাদিসের জীবনের দ্বিতীয় অঙ্গন ছিল রাজনীতি। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামি রাজনীতিতে যখন নেতৃত্বের সংকট চলছিল তখন তিনি রাজনীতিতে আসেন। সে সময় তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তী সময়ে আশির দশকে হাফেজ্জি হুজুরের সঙ্গে তিনি রাজনীতির মাঠ চষে বেড়ান। তিনি ছিলেন হাফেজ্জি হুজুরের একান্ত শিষ্য ও সহযোগী। এরপর খেলাফত মজলিস প্রতিষ্ঠা করে ইসলামি দলগুলোর সমন্বয়ে গড়ে তোলেন ইসলামী ঐক্যজোট। নব্বইয়ের দশক পুরোটাই তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। নানা সময় তিনি ইসলাম ও দেশবিরোধী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেছেন। বাবরি মসজিদ অভিমুখে লংমার্চের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ব্যাপক আলোচিত ও পরিচিত হয়ে ওঠেন। মওলানা ভাসানীর পর এটাই ছিল সবচেয়ে স্মরণীয় লংমার্চ। ২০০১ সালে হাই কোর্টের রায়ে ইসলামের অবিচ্ছেদ্য ফতোয়া অবৈধ ঘোষণার পর আবার গর্জে ওঠেন শায়খুল হাদিস। তার ডাকে সাড়া দিয়ে জেগে ওঠে পুরো দেশ। জেল-জুলুম, আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে সরকারের পরিবর্তন ঘটে। রাজনৈতিক সেই পরিবর্তনের পেছনে শায়খুল হাদিসের ভূমিকা ছিল বিশাল। এভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে শায়খুল হাদিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তার স্মৃতিশক্তি যখন অনেকটাই লোপ পেয়ে যায় তখন বলয়বেষ্টিত শায়খের কোনো কোনো পদক্ষেপে কেউ কেউ সমালোচনা করেন। তবে বাস্তবতা হলো, শায়খুল হাদিস সব সময়ই রাজনীতি-সচেতন ছিলেন। সজ্ঞানে তিনি জনচাহিদার বিপরীতে কোনো পদক্ষেপ নেননি। কেউ তাকে ভুল বুঝিয়ে ফায়দা লুটলে সে দায় শায়খুল হাদিসের ওপর চাপানো সমীচীন হবে না। লেখালেখি ছিল শায়খুল হাদিসের বিশেষ ব্রত। সহজ-সরল ভাষায় তিনি সবার বোধগম্য করে লেখতেন। এ ক্ষেত্রে তার সবচেয়ে বড় অবদান বুখারি শরিফের বঙ্গানুবাদ। কোরআনের পর সবচেয়ে বিশুদ্ধ এই গ্রন্থটি তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন। ১০ খণ্ডের বিশাল এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষাকে অনেকটা সমৃদ্ধ করেছে। এছাড়াও তার লেখা বেশ কিছু বই পাঠকদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। তিনি নিয়মিতই লেখতেন। শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও তার লেখালেখিতে চিড় ধরতো না। আমাদের জানা মতে তিনি একটি আত্মজীবনীও লেখেছেন। এটি প্রকাশ হলে সবাই উপকৃত হতে পারবে। তার বয়ান-বক্তৃতার সংকলনও বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য বিশাল সম্পদ। আরবি কাব্যেও ছিল তার বিশেষ দখল। প্রিয়নবির শানে তার নিজের লেখা আরবি কবিতা তিনি নিজেই যখন আবৃত্তি করতেন তখন তা শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধের মতো টেনে নিতো। এদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অভিভাবক ছিলেন শায়খুল হাদিস। অমীমাংসিত ধর্মীয় ইস্যুগুলোতে সবাই তার শরণাপন্ন হতো। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আধার এই মনীষী অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে এসবের মীমাংসা করতেন। দেশের শত শত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো তার পরামর্শে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তিনি সেখানে ছুটে যেতেন নিঃস্বার্থভাবে। বিশেষত আলেম-ওলামাদের অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল জোরালো। বিভিন্ন সময় সারা দেশের আলেমদের ঐক্যবদ্ধ করে তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তার সমকালীন আলেম-ওলামারাও তাকে নেতৃত্বের আসনে বসাতেন। তার মতো অবিসংবাদিত নেতৃত্ব আলেমদের মধ্যে খুব কমই গড়ে ওঠে। শত বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও আলেমরা তাকে আশ্রয়স্থল মনে করতেন। তার এই চলে যাওয়ায় বিশেষভাবে দেশের আলেমসমাজ নেতৃত্ব ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়লো। অর্ধশতাব্দিরও বেশি সময় এদেশের ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও জাতীয় অঙ্গনে সরব উপস্থিতি ছিল শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ.-এর। কর্মমুখর ও বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি দেশ ও জাতির জন্য যে বিশাল অবদান রেখে গেছেন এর সুস্পষ্ট ছাপ অনুভব করা যাবে আরো কয়েক শতাব্দি পর্যন্ত। কর্ম ও অবদানের এই ছাপই অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে শায়খুল হাদিসের অগণিত শিষ্য-ভক্ত ও অনুরাগীদের। এর মধ্য দিয়েই তিনি অমর হয়ে থাকবেন চিরকাল।

বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১২

Fantastic

Impotant Picture

Fruits in Bangladesh

Nice Bird

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১২

Z‡e ¯^vaxbZvB wK hy×vciva?---e½exi Kv‡`i wmwÏKx exiDËg by Hidden Truth on Friday, November 25, 2011 at 9:54pm · e½exi Kv‡`i wmwÏKx exiDËg MZ g½jevi wQj 15 b‡f¤^i| evsjv‡`‡ki MYZ‡š¿i BwZnv‡m GK Kj¼RbK ‡fvU WvKvwZi hyMc~wZi« w`b| Avgv‡`i MvgQvi `j h‡_vchy³ ¸i“Z¡ mnKv‡i w`bwU cvjb Ki‡Z hv`ecyi BDwbq‡bi Gqvi‡cvU© evRv‡i GK Rbmfvi Av‡qvRb K‡iwQj| ‡mB mfvq ¯^Ztù~Z© ‡jvK mgvMg ‡`‡L cvnvo f‡ii gvby‡li c«wZ Avgvi ü`q-gb K…ZÁZvq f‡i ‡M‡Q| ciw`b wQj Gqvi‡cvU© evRv‡ii nvUevi| wK Kvi‡Y ¯’vbxq msm` m`m¨ Rbve kIKZ ‡gv‡gb kvnRvnvb 16 Zvwi‡L mfv ‡W‡K wQ‡jb| miKvwi `j Zviv B‡”Q Ki‡j wbðqB mfv WvK‡Z cv‡ib| wKš‘ nvU eÜ K‡i BRviv`vi‡`i i“wU-i“wR gviv ‡gv‡UB ‡Kv‡bv Kv‡Ri KvR bq| Avi miKvwi `‡ji mfv n‡j ¯‹yj-K‡jR gv`«vmvi QvÎQvÎx, wk¶K‡`i eva¨Zvg~jK mfvq ‡h‡Z n‡e—GUv ‡Kv‡bv MYZ‡š¿i ïf Bw½Z bq| ïay ¯‹yj-K‡jR, gv`«vmv eÜ bv, 100 w`‡bi Kg©m~wP‡Z ‡hme ‰`wbK k«wgK ‡Pqvig¨vb-‡g¤^vi‡`i Aax‡b KvR K‡i Zv‡`iI KvR ‡d‡j mfvq G‡b ‡jvK mgvMg Kiv n‡qwQj| mfv ‡Kgb n‡q‡Q Zv wZwb wb‡RB Rv‡bb| Z‡e cwð‡g ‡eoevox, c~‡e© bjyqv iv¯—v eÜ K‡i nvRvi nvRvi gvbyl‡K Kó ‡`qvi dj f`«‡jvK AvMvgx‡Z wbðqB cv‡eb| ‡mB wgwUs‡qi c«avb c«wZcv`¨ wQj, ÔKv‡`i wmwÏKx hy×vcivaxÕ| kIKZ ‡gv‡gb kvnRvnv‡bi IB Dw³‡Z Avwg hZUv bv wei³ I gg©vnZ n‡qwQ Zvi ‡P‡q A‡bK ‡ewk e¨w_Z n‡qwQ RvZxq ‡bZv gbmyi fvBi ‡Q‡j mv‡eK ¯^ivó«gš¿x Rbve ‡gvnv¤§` bvwmg‡K mvg‡b ewm‡q gyw³hy‡×i c«wZ ¯^vaxbZvi c«wZ m‡e©vcwi RvwZi RbK e½eÜy ‡kL gywReyi ingv‡bi c«wZ Agb RNb¨ Acev` ‡`qvq| K‡qK gvm Av‡M `vwoqvcy‡ii wR‡bi nvU‡Lvjvq K…lK k«wgK RbZv jx‡Mi mfvq Uv½vB‡ji GK ‡bZv kIKZ ‡gv‡gb kvnRvnvb‡K ÔkqZvb ‡gv‡gb kvRvnvbÕ e‡jwQj| ‡mB mfvqB Avwg Zv‡K fxlY wZi®‹vi K‡iwQjvg| GgbwK Avevi Agb Ki‡j Zv‡K `j ‡_‡K ‡ei K‡i ‡`qvi ûwkqvwi w`‡qwQjvg| wKš‘ GLb hw` Avevi ‡Kv‡bv ‡bZv kIKZ ‡gv‡gb kvnRvnvb‡K Bewjk e‡j Avwg Zv‡K ‡dive wK K‡i? 18 ZvwiL mLxcyi wM‡qwQjvg| A‡bK gvbyl e‡j‡Q ¯^vaxbZv hy‡×i mgq ‡Zv GZ `jv`wj wQj bv| mLxcy‡ii 40-50 gvB‡ji g‡a¨ nv‡Z ‡Mvbv K‡qKRb Qvov ‡KD ivRvKvi wQj bv| mevB wQjvg Kv‡`wiqv evwnbx| Awf‡hvMKvix eZ©gvb GgwcI Avcbvi Aax‡b wQj| Zvn‡j wK Pi-fi-cvnv‡oi me gvbylB Avgiv hy×vcivax? Avgiv AvIqvgx jxMvi wn‡m‡e A‡b‡K hy× K‡iwQ| Zvn‡j AvIqvgx jxMI wK hy×vcivax? Avgv‡`i ‡bZv RvwZi wcZvI wK hy×vcivaxi Acev‡` Awfhy³ n‡eb? ü`q fvOv cvnv‡oi gvby‡li c«‡kœi ci c«kœ ï‡b eo ‡ewk e¨vKyj n‡qwQ| A‡c¶vq AvwQ ‡`wL gnvb gnv‡RvU miKvi jvMvgnxb Gme K_vevZ©vi wK wePvi K‡i| GKUy mgq ‡Zv Aek¨B ‡`qv `iKvi| 17 b‡f¤^i wQj Av‡d«v Gwkqv jvwZb Av‡gwiKvi gyw³`~Z gRjyg Rb‡bZv gIjvbv Avãyj nvwg` Lvb fvmvbxi 35Zg g…Z¨yevwl©Kx| Ae‡njv Avi Abv`i Kv‡K e‡j| gIjvbv fvmvbxi g…Z¨yi w`b bv ‡`L‡j nq‡Zv ‡evSv ‡hZ bv| fviZ-cvwK¯—vb ¯^vaxbZvi ci Avmv‡gi gyL¨gš¿x Rbve mv`yj­vn miKvi e‡jwQ‡jb, ÔcvwK¯—vb‡K kv‡q¯—v Kiv Ges DwPZ wk¶v ‡`qvi Rb¨ GK gIjvbv fvmvbxB h‡_ó|Õ ¶gZvi Mi‡g AvR AvIqvgx jx‡Mi A‡b‡KB eyS‡Z ‡Póv K‡i bv gRjyg Rb‡bZv gIjvbv fvmvbx Avi wec­ex Rb‡bZv kvgmyj nK bv n‡j AvIqvgx jxM n‡Zv bv| AvIqvgx jxM bv n‡j, gIjvbv fvmvbxi cy·mœn bv ‡c‡j e½eÜy ‡kL gywRe evOvwj RvwZi ü`qvm‡b gyKyUnxb mg«v‡Ui gh©v`v ‡c‡Zb bv| Zv‡Z K‡i Avgiv ¯^vaxbZvI ‡cZvg bv| ‡mB gnvb ‡bZv gIjvbv fvmvbxi g…Z¨yevwl©Kx‡Z Zvui Ke‡ii cv‡k dv‡Znv cvV Ki‡Z ‡Kv‡bv gš¿x hvq bv| wWwm-Gmwciv wcqb w`‡q dy‡ji ¸j`¯—v cvVvq| Zvui g…Z¨yevwl©Kx‡Z ZvuiB bvgvw¼Z wek¦we`¨vjq, ¯‹yj, K‡jR ‡Lvjv _v‡K| wek¦we`¨vjq KZ©…c¶ m¤§vbRbK ‡Kv‡bv Abyôvb K‡i bv| c«avb we‡ivax `j weGbwcÕi fvic«vß gnvmwPe gvRv‡i dyj w`‡jI Zvi m‡½ hviv wM‡qwQ‡jb Zviv KZUv k«×v Rvwb‡q‡Qb c«kœUv ‡_‡KB hvq| Avgiv Ggb AatcZ‡b Zwj‡q hvw”Q, Avgv‡`i c~e©cyi“l‡`i Ke‡ii cv‡k `vuwo‡q Avgiv wb‡j©vf dv‡Znv cvVI Ki‡Z cvwi bv| Rbve wgR©v dLi“j Bmjvg AvjgMxi GK mgq ûRy‡iiB Abymvix wQ‡jb| cv ‡_‡K gv_v ch©š— GKRb i“wPkxj f`« gvbyl wZwb| Zv‡K c«kœ Ki‡Z B‡”Q K‡i gvRv‡ii cv‡k weGbwcÕi mgv‡e‡ki c«avb j¶¨ I D‡Ïk¨ wK? gnvb ‡bZv gIjvbv fvmvbxi c«wZ Mfxi k«×v wb‡e`b, bvwK c«avb we‡ivax `j wn‡m‡e weGbwcÕi ivR‰bwZK Aw¯—Z¡ Rvwni? mewKQy‡ZB ‡Kgb ‡hb ‡fRvj Avi ‡fRvj| K‡e ‡h G ‡_‡K RvwZ cwiÎvY cv‡e ‡f‡e K~j-wKbviv cvB bv| GB gnvb ‡bZvi IdvZ& w`‡b cig c«fy Avj­vn iveŸyj Avj Avgx‡bi Kv‡Q Kvqg‡b c«v_©bv Kwi wZwb ‡hb GB Awj-G-Kv‡gj‡K ‡e‡n¯—evmx K‡ib Ges GB gnvb w`‡bi AwQjvq Avgv‡`i we‡e‡Ki c‡_ Pjvi ‡n`v‡qZ bmxe K‡ib| 18 b‡f¤^i ïµevi mLxcyi wM‡qwQjvg c«wZgvesKxi msM«vgx hye‡bZv Rvnv½xi Avjg Ges ‡evqvjxi mv‡eK BDwc ‡g¤^vi iwdKyj Bmjvg nvq`vi‡K ‡`L‡Z Ges `‡ji c¶ ‡_‡K Awfb›`b Rvbv‡Z| `wi`« Rvnv½x‡ii c«wZgvesKxi evwo‡Z kZ kZ bvix-cyi“‡li Kji‡e Vvmv mevi Avš—wiKZv ‡`‡L ü`q f‡i ‡M‡Q| Gi Av‡M evmvi cv‡ki gmwR‡` Rygvi bvgvR Av`vq K‡i gvgv‡Zv fvB GwUGg mv‡jK wnUjyi ‡g‡qi we‡qi `vIqvZ ‡L‡q 3Uv 9 wgwb‡U mLxcy‡ii D‡Ï‡k iIqvbv n‡qwQjvg| mZ¨ K_v ej‡Z wK, ‡Kv_vI ‡Kv‡bv iv¯—vNvU fv‡jv bv| mew`‡K GKUv n-h-e-i-j Ae¯’v| Uv½vBj ‡_‡K Nvwi›`v myi“R-AvBmov-cvBKov-ivgcyi-MvwÜbv-‡ZRcyi-Kvwjqvb-‡eZyqv-msM«vgcyi n‡q mLxcy‡ii `~iZ¡ eo‡Rvi 25 wK‡jvwgUvi| Av‡M jvMZ mvivw`b, GLb jv‡M ‡`o NÈv| A_P iv¯—vNvU fv‡jv n‡j mgq jvMv DwPZ 30-40 wgwbU| 25 wK‡jvwgUv‡ii c«vq 20 wK‡jvwgUviB cvKv| `yf©vM¨ KvuPvi ‡P‡q cvKv‡ZB ‡ewk Lvivc| Avi KÕw`b ‡givgZ bv n‡j iv¯—vi ‡P‡q iv¯—vi Avkcvk w`‡q PjvB Avivg`vqK n‡e| Rvnv½xi‡`i evwo hvIqvi c‡_ mLxcyi ZvjZjv ‡gv‡o QvÎjx‡Mi GK mfv ‡`Ljvg| hy×vcivax‡`i `ª“Z wePv‡i Zviv mfv AvnŸvb K‡i‡Q| iv¯—vi g‡a¨ K‡qKUv ‡Pqvi ‡d‡jwQj| ZvI Lvwj| mfvi ga¨gwY ¯’vbxq msm` m`m¨ Rbve kIKZ ‡gv‡gb kvnRvnvb| ïµevi mLxcy‡ii nvUevi| Ggwb‡Z ZvjZjv PZ¡‡i wMRwM‡R ‡jvK _v‡K| ZviciI mfvq Lye GKUv ‡jvK wQj bv| A‡bK ‡Pqvi Lvwj| Avi kÕ‡qi ‡ewk ‡h ‡Pqvi w`‡qwQj ZvI bq| RvqMvUv cvi n‡Z `yÕwZb wgwbU mgq ‡j‡M‡Q| Ii g‡a¨ ci ci Pvi-cvuPR‡bi bvg WvKv n‡jv, Zviv ‡KD wQj, ‡KD wQj bv| hviv wQj Zviv e³…Zv Kij bv| Avgiv hLb mfvi KvQvKvwQ ‡cŠuwQ ZLb GKUv ‡Q‡j e³…Zv KiwQj| Avwg Zvi bvgavg Rvwb bv, ‡`wLIwb| Z‡e wgwbU `yB Lye MvjvMvwj ï‡bwQ| IiKg MvjvMvwj eZ©gv‡b msm‡`I Lye GKUv nq bv| Ggwb‡ZB Avwg ‡`wi K‡i we‡q K‡iwQ, ‡m Kvi‡Y Avgvi ‡Q‡ji eqm Kg| Zvi ‡P‡qI Kg eqmx ‡KD MvjvMvj KiwQj| wK K‡i ewj Avwg bv _vK‡j nq‡Zv IB ‡Q‡ji gv mZx bvixi N‡i Rb¥vZ bv| A_ev Zvi gv‡qi gvÕi B¾Z mg&åg i¶v ‡cZ bv| Zvi wcZv nq‡Zv wfb ‡`wki Ji‡m Rb¥ wbZ| A‡nZyK MvjvMvwj ï‡b ‡h KLbI mL‡bv wKQyB g‡b nq bv Zv bq| hv‡`i gy‡L ‡kvfv cvq bv Zv‡`i gyL ‡_‡K `y‡f©`¨ MvjvMvwj ï‡b wKQyUv ‡Zv Lvivc jv‡MB| mLxcy‡i GLb Avi Zvj MvQ ‡bB, ZvB ZvjZjvI ‡bB| ¯’vbxq msm` m`m¨ IBLv‡b GKUv fv‡jv ‡kŠPvMvi evbv‡Z ‡P‡qwQj| wK Kvi‡Y evbv‡bv nqwb ej‡Z cvie bv| bIgymwjgiv AwZwi³ bvgvR co‡Z cvi‡j Lywk nq| A‡b‡Ki mnvbyf~wZ AR©‡bi Rb¨ ‡hLv‡b-‡mLv‡b bIgymwjgiv wb‡R‡K bIgymwjg e‡j evi evi cwiPq ‡`q| IiKgB msm` m`m¨ n‡q Kbmv‡U© Kbmv‡U© Zvi wbe©vPbx GjvKv G‡Kev‡i Svjvcvjv K‡i ‡d‡j‡Q| MZ wZb eQi KLbI wKQy ewjwb| GLb ejvi mgq G‡m‡Q| f‡ii cvnv‡oi gvbylI Pvq Zv‡`i cvnviv ‡`B| 2008 mv‡j Zv‡`i MvgQvq Zviv ‡fvU bv w`‡q wb‡RivB GLb e¨w_Z-gg©vnZ| ZvB gvby‡li cv‡k `vuovevi Rb¨ MvgQv gvK©vi `j K‡iwQjvg| nvZ-cv ¸wU‡q e‡m _vK‡j Avi P‡j bv| ‡m Rb¨B Õ99-Gi 15 b‡f¤^i ‡fvU WvKvwZi hyMc~wZ© w`e‡m hv`ecy‡ii Gqvi‡cvU© evRv‡ii wekvj mfvi ‡cv÷vi wb‡q evnv‡Ri Kvi‡Y c«wZgvesKxi Rvnv½xi Avjg‡K ‡M«dZvi K‡i A‰eafv‡e _vbvi Mvi‡` ivLv n‡qwQj| GKRb wbh©vwZZ MvgQvi `‡ji Kg©x‡K m¤§vb Rvbv‡ZB Mwi‡ei evwo wM‡qwQjvg| Zv‡`i evwoi mvg‡b AZ ‡jvK n‡e ZvivI Avkv K‡iwb, AvwgI Kwiwb| cvwK¯—vb Avg‡j Lvwj Mjvq wZb-Pvi nvRvi gvby‡li mvg‡b wPZ&Kvi K‡i e³…Zv Ki‡Z ‡Kv‡bv Kó n‡Zv bv| gvbylRb ïbj wK ïbj bv G e¨vcv‡i å~‡¶cI wQj bv| wKš‘ GLb eqm n‡q‡Q, ZvB Lvwj Mjvq AZ gvby‡li mvg‡b wPZ&Kvi K‡i e³…Zv Ki‡Z Kó nq| wKš‘ ‡jvKRb n‡j K_v bv e‡j Dcvq _v‡K bv| wKQy bv e‡j P‡j G‡j gvbyl eo AvnZ nq| A‡bK mgq K_v wKQy bv| Avevi ‡Kv‡bv ‡Kv‡bv mgq K_vB Ag…‡Zi ‡P‡q wgwó| Zv bv n‡j ‡Rgm, AvBqye ev”Py, nvwee‡`i e¨vÛ Ab¨w`‡K ggZvR, evix wmwÏKx, wKiY P›`« ivq Ms evDj‡`i Mvb ïb‡Z nvRvi nvRvi gvbyl GKÎ n‡e ‡Kb? c«wZgvesKx ¯‹yj gv‡V Lvwj Mjv‡ZB `yÕK_v ejwQjvg| AvIqvgx jxM msm` m`m¨ Avgv‡K hy×vcivax ejvq `yÕw`b ‡ek g‡bvK‡ó wQjvg| g‡b K‡iwQjvg IUv ïay Avgv‡KB e‡j‡Q| wKš‘ Avgvi e³…Zvi GK ch©v‡q K‡qKR‡bi K_vq Avgvi Aš—i b‡o ‡Mj| mwZ¨B ‡Zv msm` m`m¨ ‡Zv ïay Avgv‡K hy×vcivax e‡jbwb| hy‡×i mgq Avgv‡`i Kg©KvʇK hy×vciva e‡j‡Q| gyw³hy‡×i Av‡M I c‡ii Avgvi Kg©KvÊ wb‡q Zvi ‡Kv‡bv gv_v e¨_v ‡bB| Avwg hy×vcivax n‡j hy‡×i mgq Kiv Kg©KvÊ n‡”Q hy×vciva| ‡ek K‡qKRb eqmx wPZ&Kvi K‡i ejwQj Zvn‡j gyw³hy‡×i mgq Avcbvi m‡½ Avgiv hviv wQjvg Zv‡`i meviB ‡Zv wePvi nIqv DwPZ| GLbKvi g‡Zv ‡Zv ZLb mLxcy‡i ‡Kv‡bv `jv`wj wQj bv| me n‡q‡Q ¯^vaxbZvi c‡i| mLxcy‡ii 50 gvB‡ji g‡a¨ Pvi-cvuPRb Qvov Avi ‡Kv‡bv ivRvKvi wQj bv| Avgiv mevB wQjvg Kv‡`wiqv evwnbx| Avcbvi ûKy‡g hy× K‡iwQ| Zvn‡j ‡Zv mg¯— cvnvo gv‡b mLxcy‡ii gvbyl‡`i wePvi nIqv DwPZ| Avgiv mevB Avcbvi m‡½ wQjvg Zvn‡j Avgiv mevB hy×vcivax| GLvbKvi ‡h Ggwc ‡mI Avcbvi Aax‡b wQj, ZviI hy×vcivax wn‡m‡e wePvi nIqv DwPZ| ‡jvKR‡bi K_v ï‡b wPš—vi `yqvi Ly‡j ‡Mj| mwZ¨B ‡Zv G¨vs D‡` e¨vO D‡` LBjmv Kq AvwgI Dw`| AvR bv nq R‡b R‡b ‡bZv| wKš‘ gyw³hy‡×i mgq Giv ‡KD wQj bv| ZLbKvi mwZ¨Kv‡ii ‡bZv hviv wQj ZvivI cvwj‡qwQj| mg¯— fi cvnvo Avgvi m‡½ Kvu‡a Kvua wgwj‡q nvbv`vi‡`i c«wZ‡iva K‡i‡Q| mviv c…w_ex hvi ¯^xK…wZ w`‡q‡Q| gyw³hy‡×i Kg©KvÊ hw` hy×vciva nq Zvn‡j ¯^vaxb evsjv wec­ex miKvi MVb AviI eo Aciva n‡q‡Q| e½eÜy ‡kL gywReyi ingvb Avgvi ‡bZv, wcZv| Zvui nv‡Z mg¯— A¯¿ Zy‡j w`‡qwQ| Avgvi ¸‡biI ‡hgb fvwM`vi wZwb, Avgvi ‡`v‡liI ‡Zv Askx`vi wZwb| f`«‡jvK GB ‡mw`b ch©š— Avgvi wc‡Q wc‡Q Ac«‡qvR‡b Ny‡i‡Qb| ‡eu‡P _vK‡j Zvi c` P‡j ‡M‡j wZwb AveviI Nyi‡eb| wKš‘ gyw³hyׇK ¯^vaxbZv‡K Gfv‡e Kjw¼Z Kivi ‡Póv Kiv GwK hy×vcivax‡`i KvQ ‡_‡K ‡Kv‡bv Dc‡XŠKb ‡c‡q hy×vcivax‡`i evuwP‡q ‡`qvi ‡Kv‡bv lohš¿? Zv bv n‡j Ggb b¨°viRbK K_v e‡jb ‡Kb? me K_viB wµqv-c«wZwµqv Av‡Q| G K_viI Av‡Q| eZ©gvb miKv‡ii Avg‡j Kv‡iviB gvb-B¾Z wbivc` bq| we‡ivax `j c«avbgš¿x m¤ú‡K© ‡h fvlvq K_v e‡j Zv fvevB hvq bv| miKvwi `j we‡ivax `j‡K ‡hfv‡e MvjvMvj K‡i c…w_exi Avi ‡Kv‡bv mf¨ mgv‡R Gi ‡Kv‡bv bwRi Lyu‡R cvIqv hv‡e bv| Kv‡`i wmwÏKxI hy×vcivax GgbwU e‡j AvKv‡i-Bw½‡Z f`«‡jvK wb‡R‡K ivRvKv‡i cwiYZ K‡i‡Q| KviY ivRvKvi Qvov Avi KviI gy‡L Agb K_v gvbvq bv| AvIqvgx jx‡Mi B`vbxsKv‡ji cvwZ ‡bZviv hLb wRqvDi ingv‡bi Dci Awf‡hvM Avb‡Z wM‡q ej‡Z ‡Póv K‡i gyw³hy‡× wRqvDi ingvb cvwK¯—vwb‡`i XywK‡q ‡`qv G‡R›U| K_vUv ‡gv‡UB AvIqvgx jxM Ges Zvi miKv‡ii Rb¨ myLKi bq| wRqvDi ingv‡bi g‡Zv GKRb gyw³hy‡×i exi‡K hw` Aeg~j¨vqb Ki‡Z wM‡q cvwK¯—v‡bi G‡R›U evbv‡bv nq Zvn‡j ¯^vaxb evsjv miKv‡ii e¨_©Zvi ‡Kv‡bv K~j-wKbviv _v‡K bv| cvwK¯—vwb G‡R‡›Ui bv‡g ‡RW ‡dvm© e‡j we«‡MW MVb wec­ex miKv‡ii Rb¨ GKwU AgvR©bxq e¨_©Zvi Aciva| wVK GKBfv‡e 1973 mv‡j weRq w`e‡m wRqvDi ingvb‡K gyw³hy‡× exiZ¡m~PK exi DËg ‡LZv‡e f~wlZ Kiv e½eÜyi Rb¨ AgvR©bxq e¨_©Zv| Avm‡j ‡`k ¯^vfvweKfv‡e Pj‡j hviv GLb Dc‡Rjv ¯—‡ii ‡bZvI n‡Z cvi‡Zb bv Zviv GLb gwš¿mfvq RvuwK‡q e‡m| w`wM&ew`K Ávbnviv n‡q hLb hv Lywk ZvB ej‡Qb| evsjv‡`‡k gyw³hy× n‡e, GUv cvwK¯—vwb ‡Mv‡q›`v ‡Zv `~‡ii K_v, ‡Mv‡q›`v‡`i evc-`v`viI wPš—vi evB‡i wQj| fxZy evOvwj A¯¿ nv‡Z ‡b‡e, GUv wQj cvwK¯—vwb‡`i Kv‡Q Afvebxq e¨vcvi| wPUvMs ‡_‡K wRqvDi ingv‡bi gyw³hy‡× AskM«nY welqUv wQj cwi‡ekMZ Kvi‡Y ¯^Ztù~Z©| IB mgq cvwK¯—vwb ‡Kv‡bv KZ©…c‡¶i m‡½ ‡hvMv‡hvM n‡j wZwb gyw³hy‡× ‡h‡Zb wKbv wPš—v Kivi welq| ZvB GKRb‡K Acgvb Ki‡Z wM‡q RvwZ‡K Acgvb Kiv, ‡mB m‡½ RvwZi wcZv‡K Acgvb Ac`¯— Kiv GUv fv‡jv K_v bq| KÕw`b Av‡M Avgv‡`i GKgvÎ ‡bv‡ej weRqx Aa¨vcK ‡gvnv¤§` BDb~m‡K Acgvb Ac`¯— K‡i Avgiv ‡KD m¤§vwbZ nBwb| ‡mLv‡b eis Avgiv Avgv‡`i wb‡R‡`i ‰`b¨ZviB cwiPq w`‡qwQ| Avgiv Avi wKQyw`b ‡`Le| msm` m`m¨ c‡`i Db¥v`bvq ‡envj Rbve kvnRvnvb wbR `vwq‡Z¡ mLxcyi-evmvBjevmx‡K hw` hy×vcivax e‡j _v‡K, gyw³hyׇK hy×vciva e‡j _v‡K Zvn‡j gvbbxq c«avbgš¿x ‡`‡ki c«avb Lv‡`g wn‡m‡e Zvi wePvi Ki‡eb| Avi wKQy bv ‡nvK `j ‡_‡K ‡ei K‡i ‡`‡eb| Avi hw` ‡`Lv hvq ‡eûk msm` m`‡m¨i K_vq gvbbxq c«avbgš¿xi mvq Av‡Q Zvn‡j Zvi wcZvI GB Awf‡hv‡M Awfhy³ n‡eb| gyw³hy× AcgvwbZ n‡e, gyw³‡hv×viv AcgvwbZ n‡e| m‡e©vcwi evsjv‡`‡ki ¯^vaxbZv Kjw¼Z n‡e| cvM‡ji nv‡Z Lyš—v w`‡q wbivc‡` _vKv hvq bv| Zv‡K mvgjv‡ZB nq| ‡`kevmx‡KI G wec` ‡_‡K D×vi ‡c‡Z welqUv bR‡i Avb‡ZB n‡e| ‡`wL mgq _vK‡Z ‡eûk‡`i ûk nq wKbv| Avi mgq _vK‡ZB ûk bv n‡j c«wZ‡ekx fviZ wUcvB evua wbg©vY Pyw³ K‡i ‡d‡j‡Q, AviI KZ wKQy Ki‡e| ZvB mgv‡jvPK‡`i we`¨yZ& jvBb ‡K‡U w`‡q gvbbxq c«avbgš¿x myw¯’i _vK‡Z cvi‡eb wK? kvš—fv‡e GKUy ‡f‡e ‡`L‡eb| mivmwi m¤cÖPvwiZ GKUv Abyôv‡b Ifv‡e K_vwU ejvq Avcbvi m¤§vb ‡e‡o‡Q bv K‡g‡Q? GUvB ‡QvU fvB wn‡m‡e 2011 mv‡ji ‡kl civgk©| Dbvi Av‡iv wjLv co‡Z wb‡Pi wj‡¼ wM‡q ev‡g ‡`Lyb http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=7412

বুধবার, ৭ মার্চ, ২০১২

সৌদি কূটনীতিককে গুলি করে হত্যা



ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব খালাফ আল-আলী আল সাফাহ আল ফালাহকে (৪৫) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে কূটনৈতিক জোনের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে রাস্তায় ফেলে রাখে। গুরুতর আহত অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ভোররাতে মারা যান তিনি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, রাত সাড়ে ৩টায় পুলিশ তাকে নিয়ে আসে। ওই সময় কর্তব্যরত চিকিত্সক ওই কর্মকর্তাকে মৃত ঘোষণা করলে পুলিশ লাশ ইউনাইটেড হাসপাতাল মর্গে রেখে চলে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সকালে জানতে পারে নিহত ব্যক্তি সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা।
কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে—তা জানা যায়নি। পুলিশও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না। ধারণা করা হচ্ছে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে দ্রুত একটি প্রাইভেট কারে করে পালিয়ে গেছে। হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে নিহত কর্মকর্তার বাসভবনের মাত্র একশ’ গজের ভেতরে। এসময় তিনি নৈশভ্রমণ শেষে বাসায় ফিরছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য ঘটনাস্থলে গেলেও এ বিষয়ে তারা মুখ খুলছেন না। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু দুপুরে সচিবালয়ে বলেছেন, ‘আমরা নিহত সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। বিষয়টির তদন্ত চলছে, তদন্তের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গতকাল সকালে সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তারা খালাফ আল-আলীর মৃতদেহ দেখতে ইউনাইটেড হাসপাতালে ছুটে যান। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে র্যাব, সিআইডি ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নিয়েছে। আরও আলামত সংরক্ষণের জন্য তারা ঘটনাস্থল কর্ডন করে রেখেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাত সোয়া ১টার দিকে গুলশানের ১২০ নম্বর রোডে পর্তুগাল দূতাবাসের দেয়াল ঘেঁষে একটি স্থানে ওই কর্মকর্তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পায় পুলিশ। তার বুকের বাম পাশে একটি গুলি বিদ্ধ ছিল। তাকে উদ্ধার করে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান তার মৃত্যু হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান জোনের ডিসি লুত্ফুল কবির জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও তিনি জীবিত ছিলেন। পরে ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়ার পর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। গুলশান জোনের পুলিশের এডিসি নিজামুল হক মোল্লা জানান, গভীর রাতে রাস্তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়ার পর প্রথমে তার পরিচয় জানা যায়নি। অজ্ঞাত হিসেবেই খালাফ আল-আলীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। নিহত খালাফ সৌদি দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (হেড অব সৌদি সিটিজেনস অ্যাফেয়ার্স) ছিলেন। তিনি সৌদি নাগরিকদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি দেখতেন।
জানা যায়, ১২০ নম্বর রোডের ২২/এ (বিটিআই) ভবনের চারতলার এ/৪ ফ্ল্যাটে থাকতেন খালাফ আল-আলী। তিনি এখানে প্রায় দু’বছর ধরে আছেন। ওই বাসার নিরাপত্তাকর্মী তাপস রেমা জানান, খালাফ প্রায় সময়ই নৈশভ্রমণে বের হতেন। আবার রাতেই ফিরে আসতেন। সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় খালাফ আল-আলী বাসা থেকে হাঁটতে বের হন। মাঝেমধ্যে তিনি বাইসাইকেল নিয়েও বের হতেন। তবে সাইকেলটি নষ্ট থাকায় তিনি পায়ে হেঁটে বের হন। কিন্তু ওই রাতে তিনি আর বাসায় ফেরেননি। তাপস ভোর ৬টা পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন বলে জানান।
পর্তুগাল দূতাবাসের নিরাপত্তাকর্মী জুলফিকার আলী বলেন, রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি গুলির শব্দ পান। সামনে এগিয়ে দেখেন প্রায় ৫০ গজ দূরে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কারে ২ ব্যক্তি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা গুলি করে গাড়িতে উঠেছে। প্রাইভেট কারটি ২২/এ বিটিআই ভবনের সামনে দিয়ে চলে যায়। তিনি থানায় খবর দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। গুলশান থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নুরে আযম সাংবাদিকদের জানান, নিহত এই কূটনীতিকের বুকের বামদিকে একটি গুলি লেগেছে। হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে এখনই কিছু নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের সদস্যরা। পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঘটনাস্থলে যাওয়া সিআইডির কর্মকর্তা নুরে আলম জানান, গুলির শব্দ পেয়ে পর্তুগাল দূতাবাসের সিকিউরিটি গার্ড তালেব ও জুলফিকার এগিয়ে আসেন। তখন তারা দু’ব্যক্তিকে একটি প্রাইভেট কারে উঠে দ্রুত চলে যেতে দেখেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। হয়তো অন্য কোথাও মেরে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখার সময় ফাঁকা গুলি করে খুনিরা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে রাস্তায় কোনো ছিনতাইকারী ওই কর্মকর্তাকে গুলি করেছে। তবে কী কারণে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে—তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে সকাল থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ছুটে যান ইউনাইটেড হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিহতের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে চায়নি। এমনকি ভোর রাতে মারা গেলেও বিকাল ৪টার দিকে কড়া পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকালে ময়নাতদন্ত করে লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিত্সক জানিয়েছেন, খালাফ আল-আলীর বুকের বাম পাশ থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড : পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৌদি কর্মকর্তা খালাফ আল-আলীর হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে মনে হচ্ছে। কেননা, প্রতিদিন তিনি বাসা থেকে নৈশভ্রমণে বের হতেন—তা হয়তো খুনিদের জানা ছিল। দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে কিছুই নেয়নি। ছিনতাইয়ের ঘটনা হলে তার কাছ থেকে মালামাল খোয়া যেত। অবশ্য খালাফ আল-আলী ভ্রমণে বের হওয়ার সময় কিছুই সঙ্গে নেননি। এমনকি তার মানিব্যাগ বা মোবাইল ফোনও সঙ্গে ছিল না। মনে হচ্ছে, তিনি বের হয়ে ভ্রমণ শেষে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কেননা, সাড়ে ১১টায় বাসা থেকে বের হলেও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রাত সোয়া ১টার দিকে। হয়তো তিনি ফিরে আসার অপেক্ষায় ছিল দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে তার বাসার অদূরে এবং পর্তুগাল দূতাবাস থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরে। ওঁত্ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা বাসার কাছাকাছি আসামাত্র গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই মৃত্যু : ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার পরিচয় পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কারও জানা ছিল না। তবে পুলিশের ভাষ্যমতে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তা থেকে উদ্ধার করে সোয়া ১টায় হাসপাতালে নিলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে তারা সাড়ে ৩টায় বুঝে পেয়েছে। প্রায় ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সৌদি কর্মকর্তাকে ফেলে রাখা হয়েছিল বিনা চিকিত্সায়। তাই অবহেলার কারণে রক্তক্ষরণ হতে পারে। পুলিশ সচেতন হলে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করলে আগেই তার উন্নত চিকিত্সা শুরু করা যেত।
কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ : পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিশ্চিত হতে পারেননি কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, আপাতত চারটি বিষয় সামনে রেখে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রথমত, খালাফ আল-আলীকে তার নিজ বাসার ভেতরে কেউ গুলি করে রাস্তায় ফেলে রেখেছে কিনা। দ্বিতীয়ত, দুর্বৃত্তরা অন্য কোথাও গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গেছে কিনা। তৃতীয়ত, নৈশভ্রমণ থেকে ফেরার পর সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে গুলি করেছে কিনা এবং এটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনা কিনা। এসব বিষয় মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলা তদন্ত শুরু করছে। এ ব্যাপারে গতকাল গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খুনের ঘটনায় কূটনৈতিক জোনে বসবাসকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। দূতাবাসগুলোর কর্মকর্তা ও বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। র্যাব ও পুলিশ সকাল থেকেই গুলশানের কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। দূতাবাসগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। গুলশান থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় সৌদি দূতাবাসের এক নিরাপত্তাকর্মী বাদী হয়ে রাতে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সন্দেহভাজন ক’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।