রবিবার, ২৯ মে, ২০১১

Shabnur A Bangladeshi Actress


বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের বাড়ি নোয়াখালী! যারা এ কথা বিশ্বাস করছেন না তাদের জন্য বলার শুধু এটুকুই- পি এ কাজলের ‘পিরীতের দোকানদারী’ ছবিটি বেরুনোর পর হলে গিয়ে দেখুন- চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে। কারণ গড়গড় করে নোয়াখালীর মানুষের মতো করে কথা বলবেন এই জনপ্রিয় নায়িকা!
ছবির প্রয়োজনে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে শাবনূর গ্লিটজকে বলেন, “নোয়াখালীর মানুষের মুখের ভাষাটা অনেক মজার। আর এটা বাকী অঞ্চলের চেয়ে আলাদা তো বটেই। ফলে এই ভাষায় অভিনয় করতে গিয়ে প্রথমে একটু সমস্যা হলেও পরে খুব মজা পেয়েছি।”
তিনি আরো জানান, নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলার জন্য তাকে স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে সাহায্য নিতে হয়েছে। আর শুটিং ইউনিটের বেশিরভাগ মানুষ নোয়াখালীর হওয়ায় তার বেশ উপকার হয়েছে ভাষাটি আয়ত্ব করার ক্ষেত্রে।
‘পিরিতির দোকানদারী’ ছবিতে শাবনূরের নায়ক নবাগত আমান খান।
ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন- রাজ্জাক, বিন্দু, ইমন, দিঘী সহ অনেকে।
ছবিটি প্রযোজনা করছেন নিশা তাসনিম শেখ। পরিবেশনায় রয়েছে ‘ঋদ্ধি টকিজ’।
এর আগে বরিশাল এবং ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় তাকে কথা বলতে দেখা গেছে ছবির পর্দায় শাবনূরকে।

বলিউড তারকায় মুখর কান চলচ্চিত্র উৎসব


১১ই মে থেকে শুরু হয়ে বিশ্বের নন্দিত তারকাদের পদচারণায় ইতিমধ্যে মুখর হয়ে উঠেছে ৬৪তম কান চলচ্চিত্র উৎসবস্থল।
উৎসবে হলিউড তারকাদের বাইরে এবার বলিউড তারকাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। ১১ থেকে ২২শে মে পর্যন্ত এবার সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বলিউড তারকা কান চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
ইতিমধ্যে উৎসবে যোগ দিয়েছেন বলিউড পেরিয়ে হলিউডেও অবস্থান করে নেয়া ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং মল্লিকা সারাওয়াত।
১১ই মে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেড কার্পেটে হাঁটার মধ্যে দিয়ে এই উৎসবে যোগ দেন সর্বপ্রথম ঐশ্বর্য রাই। গত আসরেও এই উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বেশ আলোচনায় আসেন সাবেক এ বিশ্ব সুন্দরী। হলিউডের আদলে একটি গাউন পড়ে এবারের উৎসবে যোগ দিয়ে মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সবার নজরই কেড়েছেন ঐশ্বর্য।
মিডিয়ার কাছে তিনি এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবটি এক কথায় ‘অসাধারণ’ বলে উল্লেখ করেন। ঐশ্বর্য’র মতোই হলিউডের তিনটি ছবিতে কাজ করা মল্লিকা টানা তৃতীয়বারের মতো এবারও যোগ দেন কান চলচ্চিত্র উৎসবে।

হামিদ মীর : সাহসী সাংবাদিকতার প্রতীক




হামিদ মীর। শুধু একটা নাম নয়, অকুতোভয় সাহসী সাংবাদিকতার প্রতীক। তিনি সাংবাদিক, সংবাদ উপস্থাপক, সন্ত্রাসবাদ বিশেষজ্ঞ ও নিরাপত্তা বিশেস্নষক। জন্ম পাকিসত্মানের লাহোরে ১৯৬৬ সালের ২৩ জুলাই। বড় হয়েছেন সাহিত্যিক পরিম-লে। পড়াশুনাও করেছেন সাংবাদিকতা নিয়েই। ১৯৮৯ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ (mass communication) বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।
কর্মজীবন
সাংবাদিক হওয়াটা যেন নিয়তি ছিল হামিদ মীরের জন্য। কলামিস্ট বাবা অধ্যাপক ওয়ারিস মিরের আকস্মিক মৃত্যু তাকে টেনে নিয়ে আসে সাংবাদিকতার জগতে। মাত্র ২১ বছর বয়সে (১৯৮৭ সালে) যোগ দেন দৈনিক জং পত্রিকায়। সাথে ছিল বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া অকুতোভয় সাহস। তৎকালীন সেনা শাসক জেনারেল জিয়াউল হকের কড়া সমালোচক ছিলেন ওয়ারিস মীর। ধারণা করা হয় তার কণ্ঠ সত্মব্ধ করতে বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলা হয় তাকে। বাবার মতোই দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে হামিদ মীরকেও সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি। শাসকরা সমালোচনাকে ভয় পান। এই সত্য প্রমাণ করে সেনা শাসক পারভেজ মোশাররফ তো বটেই, বেনজির ভুট্টোর গণতান্ত্রিক শাসনামলেও সত্য প্রকাশের দায়ে চাকরি গেছে তার।
১৯৯৪ সালে অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে নজরে আসেন তিনি। প্রকাশ করেন ডুবো জাহাজ কেলেঙ্কারির গোপন তথ্য। ওই কেলেঙ্কারিতে জড়িত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো’র স্বামী বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ জারদারির কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সরকারের রোষানলে পড়ে সংবাদটি প্রকাশের পরপরই চারকি হারান মীর। উঠে আসেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সেইসাথে তার সাহসিকতা প্রথম পরিচয় পায় পাকিসত্মানের মানুষ।
মীর ১৯৯৬ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিসত্মানের সম্পাদক হিসেবে। এর মধ্য দিয়ে পাকিসত্মানের কোনো উর্দু ভাষার দৈনিক সবচেয়ে কম বয়সী সম্পাদক হয়ে ইতিহাস গড়েন তিনি। কিন্তু তার অদম্য সাহসের পুরস্কার হিসেবে আবারও চাকরি হারালেন তিনি। অপরাধ, সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দুর্নীতি সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশ।
একই বছর ১৯৯৭ সালের ২৫ শে ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে প্রকাশ করেন দৈনিক আউসাফ। চলতে থাকে তার কলম। সেইসাথে চলে তার অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। খবর প্রকাশের ÿুধায় মৃত্যু ভয়কে পরোয়া না করে চষে বেড়ান আফগানিসত্মানের পূর্বাঞ্চল। আবিস্কার করেন ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তোরাবোরা পাহাড় থেকে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের পলানোর তথ্য। বিন লাদের যে গুহায় পালিয়ে ছিলেন তাও ঘুরে দেখেছেন এই সাহসী সাংবাদিক।
এরপর ২০০২ সালে যোগ দেন পাকিসত্মানের সবচেয়ে জনপ্রিয় সংবাদভিত্তিক চ্যানেল জিও টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় সম্পাদক হিসেবে। শুরম্ন করেন রাজনৈতিক টক শো ক্যাপিটাল টক। তুমুল জনপ্রিয় হয় অনুষ্ঠানটি। পাকিসত্মানের রাজনীতিকরা তো বটেই তার অনুষ্ঠানে এসেছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিৎসা রাইস, সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি বেস্নয়ার, ভারতের বিজেপি নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানিসহ আরো অনেকে।
মীর শুধু যে দেশের ভেতরেই হয়রানির শিকার হয়েছেন তা নয়, বিদেশের মাটিতে হয়েছেন নাজেহাল। ২০০৬ সালে ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হিজবুলস্নাহ’র হাতে গ্রেফতার হন তিনি। হিজবুলস্নাহ’র সন্দেহ ছিল-ইসরাইলের চর হিসেবে কাজ করছেন তিনি। কিন্তু এ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় পরে তাকে ছেড়ে দেয় হিজবুলস্নাহ। পরের বছর দেশের মাটিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ইফতেখার মুহাম্মদ চৌধুরীর বরখাসেত্মর প্রতিবাদে আইনজীবীদের বিÿÿাভ সরাসরি সম্প্রচার করে মুশাররফ সরকারের রোষানলে পড়েন তিনি। নিষিদ্ধ হন চার মাসের জন্য। প্রতিবাদের রাসত্মায় নামেন তিনি। পরিণত হন আমত্মর্জাতিক ব্যক্তিত্বে। তাকে নিয়ে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ করে ওয়াশিংটন পোস্টসহ বিখ্যাত সব পশ্চিমা গণমাধ্যম। ২০০৮ সালে পাকিসত্মান পিপলস পার্টিও কয়েক দিনের জন্য নিষিদ্ধ করে তাকে। মুম্বাই হামলার পর শামিত্ম ও বস্ত্তনিষ্ঠ সাংবাদিকতরা মূখপাত্রে পরিণত হন তিনি।
কাজ, পুরস্কার ও স্বীকৃতি
· সেরা কলাম লেখক হিসেবে ১৯৯৬, ১৯৯৭ ও ১৯৯৮ সালে অর্জন করেন অল পাকিসত্মান নিউজ পেপারস সোসাইটি পুরস্কার।
· নারী স্বাধীনতা নিয়ে লেখার জন্য মহিলা মন্ত্রণালয় থেকে পান ফাতিমা জিন্নাহ স্বর্ণ পদক।
· ১৯৯৭ সালে তিনি দৈনিক পাকিসত্মানের জন্য ও ১৯৯৮ সালে দৈনিক আওসাফের জন্য ওসামা বিন লাদেনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।
· ২০০১ সালে দৈনিক ডনের পক্ষ থেকে তিনি উসামা বিন লাদেনের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করন। এটি ছিল ৯/১১ এর পর ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে কোনো সাংবাদিকের প্রথম সাক্ষাৎকার।
· বিবিসি ও সিএনএন এই সাক্ষাৎকারটিকে আমত্মর্জাতিক বিস্ফোরণ হিসেবে আখ্যা দেয়। মাসিক হেরাল্ড ২০০১ এর ডিসেম্বরের বিশেষ সংখ্যায় এ সাক্ষাৎকারটিকে বছরের সেরা বিস্ফোরণ হিসেবে চিহ্নিত করে।
২০০৫ সালের অক্টোবরে কাশ্মিরের ভূমিকম্পের ওপর সংবাদ সংগ্রহের জন্য মার্কিন সংবাদপত্র ‘ক্রিশ্চান সাইন্স মনিটর’ হামিদ মীরকে পাকিসত্মানি জনগণের নায়ক রূপে ঘোষণা করে।
২৬শে মার্চ ২০১০ সালে সার্কের আজীবন সম্মাননার জন্য মনোনীত হন হামিদ মীর।
সমালোচনা
তালেবানদের সমর্থক বলে মীরের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ তুলেছে অনেকে। আবার তালেবানরা সিআইয়ের এজেন্ট বলে সন্দেহ করে তাকে। তিনি পশ্চিমাদের এজেন্ডা প্রচার করেন করেন বলেও মনে করেন অনেক বিশেস্নষক। অনেকে আবার উল্টো কথাও বলেন। মার্কিন চালকবিহীন বিমান হামলা নিয়ে সদা সোচ্চার মীরকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটু বেশিই কঠোর বলে মনে করেন তারা। আবার মীরকে ভারতের চর বলেও মনে করেন কেউ কেউ ।
সরকারের সাথে বিরোধ
তার সাংবাদিকতার জীবনের প্রায় পুরো সময়টাই নানা বিষয় নিয়ে পাকিসত্মান সরকারের সাথে বিরোধে জড়িয়েছেন মীর।
· ২০০৫ সালের অক্টোবরে পাকিসত্মান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভূমিকম্পের খবর সংগ্রহ করতে যান তিনি। কাশ্মিরে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি আছে বলে দাবি করেন তিনি। তাকে নিষিদ্ধ করার হুমকি দেয় মুশাররফ সরকার।
· একই বছর তালেবানদের সাথে সেনাবাহিনীর তথাকথিত শামিত্ম চুক্তির বিরোধিতা করে স্বৈরশাসকের ক্রোধানলে পড়েন মীর।

· পরের বছর ২০০৬ সালে মার্কিন চালকবিহীন বিমান হামলার পর উপজাতি অধ্যুষিত বাজুর এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। প্রমাণ করেন, মার্কিন ÿÿপনাস্ত্র শুধু শিশু ও নারীদেরকেই হত্যা করে, আল-কায়েদা যোদ্ধাদের নয়।

· ২০০৭ সাল- তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে তার প্রতি অভিযোগ তোলে মুশাররফ সরকার ।





পাকিসত্মানের উত্তরাঞ্চলীয় সম্পাদক হিসেবে ২০০২ সালে যোগ দিয়েছিলেন জিও টিলিভিশনে। মাত্র ৮ বছরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন চ্যানেলটির নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি এখন ব্যসত্ম বই লেখার কাজে।

যেকোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য কম: বাণিজ্যমন্ত্রী



দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য আবারো আন্তর্জাতিক বাজারকে দায়ী করে বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল অব. ফারুক খান বলেছেন, পৃথিবীর যে কোনো দেশের চেয়ে আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম অনেক কম। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
রোববার সন্ধায় কাফরুল থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘‘আগামী বাজেটে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে। বিশেষ করে আগামী রমজানে যেন দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে সে চেষ্টাই করা হবে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সাথেও কথা হয়েছে। এবারের বাজেট এমন ভাবে করা হবে যাতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে।’’
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ নারীনীতির পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।
বিরোধীদলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচন দাবি করে বাংলাদেশের মানুষের মাথা ভুলন্ঠিত করেছে। যখনই বিএনপি বিরোধী দলে যায় তার (খালেদা জিয়া) ও তার নেতাদের কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশে মানুষের মাথা ভূলুণ্ঠিত হয়। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশ হয় দুর্নীতির দেশ, জঙ্গীবাদের দেশ।’’
কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল মোস্তফার সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সহ সভাপতি মুকুল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, স্থানীয় এম পি কামাল আহমেদ মজুমদার, নগর নেতা আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আব্দুল হক সবুজ ও শহীদুল ইসলাম মিলন।
কীভাবে দেশের ক্ষতি করতে হয় তার নমুনা খালেদা জিয়ার বিদেশ সফর উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব উল-আলম-হানিফ বলেন, ‘‘খালেদা জিয়া কী কর্মসূচি নিয়ে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন তা জনগণ জানতে চায়।’’
আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কমে তলানিতে পড়েছে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদের এমন দাবির জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বিএনপিই রাজনৈতিকভাবে দেওলিয়া হয়ে গেছে। আমাদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে।’’
এসময় তিনি সরকারের জনপ্রিয়তা যাঁচাই করার জন্য বিএনপিকে তাদের জনপ্রিয় একটি আসন ছেড়ে দিয়ে উপ নির্বাচনে আসার প্রস্তাব দেন।
হানিফ বলেন, ‘‘দেশে কোনো সাংবিধানিক সংকট নেই যে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে হবে।’’
বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘‘বিএনপি এতদিন বলেছেন বিদেশে তাদের কোনো প্রভূ নেই, তাহলে আজ বিদেশে খালেদা জিয়া কোন প্রভূদের কাছে গিয়েছেন?
খালেদা জিয়াকে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে এসে দেশের জনগণের কথা বলার আহবান জানান নাছিম।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘‘বিএনপি নেত্রী ষড়যন্ত্র করতে বিদেশ সফর করেছেন। তার জন্য তাকে আবার সংবর্ধনাও দেবে বিএনপি। বিএনপির লজ্জা হওয়া দরকার।’’
বিএনপির সংসদে না যাওয়াকে কটাক্ষ করে মায়া বলেন, ‘‘সংসদে যাবেন কীভাবে আপনার (খালেদা জিয়া) পাশে ফালু, সাকা, ওবায়দুর রহমান নেই।’’
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘‘সংসদ থেকে পদত্যাগের হুমকি দিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি করে লাভ হবে না।’’

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১১

'খালেদার সঙ্গে আলোচনায় গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে উদ্বেগ বৃটিশ মন্ত্রীর'

খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনায় গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাজ্যের এক মন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শমসের মোবিন চৌধুরী।

শমসের জানান, খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্য সফরের ষষ্ঠ দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে হাউস অব কমন্সে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালান ডানকানের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তাকে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগের কথা জানান মন্ত্রী।

"ডানকান খালেদাকে বলেন, সা¤প্রতিক সময়ে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় ক্ষুদ্র ঋণ গ্রীহতাদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে কি না তাও পর্যবেক্ষণ করবে যুক্তরাজ্য।"

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে এক সভায় খালেদা জিয়া বলেন, নোবেলবিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সরকারের আচরণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সুনামহানি ঘটছে।

নিয়োগে অনুমোদন না নেওয়ার কারণ দেখিয়ে ইউনূসকে দুই মাস আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে হেরে যান তিনি। এরপর কয়েকদিন আগেই তিনি পদত্যাগ করেন।

শমসের মোবিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সাক্ষাতে গ্রামীণ ব্যাংক, শেয়ারবাজার ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সাহায্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

"বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সাহায্য অব্যাহত থাকবে বলে এসময় জানান ডানকান।"

ডানকানের উদ্ধৃতি দিয়ে মোবিন জানান, যুক্তরাজ্য বড় কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আর্থিক সাহায্য দেবে না। শিক্ষা ও ক্ষুদ্র প্রকল্পে সাহায্য অব্যাহত রাখবে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে।

অভ্যর্থনা সভায় খালেদা

হাউস অব কমন্সে অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্র"পের আমন্ত্রণে বৃহস্পতিবার এক অভ্যর্থনা সভায় যোগ দেন খালেদা জিয়া। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন লর্ড আহমদ।

সভায় হোম অ্যাফেয়ার্স সিলেক্ট কমিটির চেয়ার কীথ ভাজ, রুশনারা আলী, নিকি মর্গান, লর্ড শেখসহ পার্লামেন্টারি গ্র"পের চেয়ারম্যান অ্যান মেইন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় খালেদা বলেন, বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্র ব্যাহত এবং মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমালোচনা করেন খালেদা। তিনি বলেন, "মইন উ আহমদ বাংলাদেশকে ২০ বছর পিছিয়ে দিয়েছেন।"

তার শামনামলে নারী শিক্ষা ও দারিদ্র্য বিমোচনের কথা উল্লেক করে বিরোধীদলীয় নেত্রী বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

অভ্যর্থনা সভায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে শফিক রেহমান, ডা. ওসমান ফারুক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত সাবিহ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার মমতার শপথ




পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুক্রবার শপথ নিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

বেলা ১টা ১ মিনিটে রাজভবনে প্রথমে মমতা এবং পরে তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। এ উপলক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ভারতীয় কংগ্রেস থেকে সাতজন মমতার মন্ত্রিসভার সদস্য হতে পারেন বলেও জানা গেছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের স্পেশাল অ্যাফেয়ার্স এডিটর বেবী মওদুদ কলকাতা থেকে জানান, শপথ অনুষ্ঠান সামনে রেখে রাজভবন সংলগ্ন শহীদ মিনারে বসানো হয়েছে চারটি জায়ান্ট স্ক্রিন। এসব স্ক্রিনে তৃণমূল নেত্রীর শপথ নেওয়ার দৃশ্য সরাসরি দেখতে পাবে কলকাতাবাসী। অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখানো হবে বিভিন্ন টেলিভিশনেও।

বৃহস্পতিবার কালিঘাটের বাসায় গিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বেবী মওদুদ। তিনি জানান, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকসহ প্রায় পাঁচ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তিকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তৃণমূল-কংগ্রেস জোটের নেতারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠান হবে বাংলায়। আর বিধান সভার নব নির্বাচিত সদস্যরা শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন পুরোপুরি বাঙালি পোশাকে- ধুতি পাঞ্জাবি ও শাড়ি পড়ে।

তবে কংগ্রেস মুখপাত্র জনার্দন ত্রিবেদী জানিয়েছেন, দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী খুব সম্ভবত শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারছেন না। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম, প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে অ্যান্টনি এবং কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত শাকিল আহমেদ শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ।

পশ্চিমবঙ্গের বিধাসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২২৪টিই জিতে নেয় মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। আর এর মধ্য দিয়ে ভারতের এ রাজ্যে বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

১৩ মে এই নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় পরাজয় নিশ্চিত জেনে পদত্যাগপত্র জমা দেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বামফ্রন্ট নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য। বুদ্ধদেব নিজেও নির্বাচনে পরাজিত হন।

তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মমতা বন্দোপাধ্যায় আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে উঠছেন না। শুক্রবার শপথ অনুষ্ঠান শেষে রাজভবন থেকে সরাসরি রাইটার্সে নিজের কার্যালয়ে যাবেন তিনি। অফিস করবেন কালিঘাটে নিজের বাড়ি থেকেই।

বৃহস্পতিবার সারাদিন বৃষ্টির মধ্যেও বহু মানুষ ফুল আর উপহার নিয়ে কালিঘাটে যান 'দিদির' সঙ্গে দেখা করতে। সবার সঙ্গেই আন্তরিকতার সঙ্গে কথা বলেন সদ্য নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী ; অভিনন্দনের জবাবে ধন্যবাদ দেন।

একটি সূত্রে জানা গেছে, মমতা বন্দোপাধ্যায় শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন। তবে তার এই সফরের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।

এদিকে মামতার মন্ত্রীসভায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি 'ইতিবাচক'ভাবেই দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা।

ভারতীয় কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ জানান, বৃহস্পতিবার কলকাতায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠকেই এ বিষয়টির ফয়সালা হওয়ার কথা।

অবশ্য মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কংগ্রেস থেকে ৭ জন মমতার মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে পারেন।

মমতা বিধানসভা নির্বাচনে জযী হয়েই বলেছিলেন, জোট হিসেবে নির্বাচন হয়েছে, জোট হিসেবেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার চলুক।

১৯৫৫ সালের ৫ জানুয়ারি কালিঘাটের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু অল ইন্ডিয়া কংগ্রেসের মাধ্যমে। ১৯৭৬ সালে রাজ্য মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৮৪ সালে যাদবপুর আসন থেকে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর অল ইন্ডিয়া যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মমতা। ১৯৯১, ৯৬, ৯৮, ৯৯, ২০০৪ ও ২০০৯ সালে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাওয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৯৭ সালে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করার পর থেকেই দলটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মমতা। গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের সমস্যা, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও রেজওয়ান হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব ছিলেন কলকাতার মানুষের 'দিদি' হিসেবে পরিচিত এই নেত্রী।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন সিপিআই (এম)-এর সূর্যকান্ত মিশ্র। ৩৪ বছর পর এ রাজ্যে বিরোধী দলের আসনে বসবে বামফ্রন্ট।

বুধবার, ৪ মে, ২০১১

Islamist militant leads prayers for Osama in Pakistan




The founder of one of Pakistan’s most violent Islamist militant groups has told Muslims to be heartened by the death of Osama bin Laden, as his ‘martyrdom’ would not go in vain, a spokesman for the group said on Tuesday.The media are often barred from gatherings of Lashkar-e-Taiba, the militant group blamed for the 2008 terror attacks on Mumbai.
But a spokesman for Hafiz Mohammad Saeed said he had told followers at special prayers held for the slain al-Qaeda leader that this ‘great person’ would continue to be a source of strength and encouragement for Muslims around the world.
‘Osama bin Laden was a great person who awakened the Muslim world,’ Saeed’s spokesman Yahya Mujahid quoted him as saying during prayers at the headquarters of the LeT’s charity in the Punjab capital Lahore on Monday.
‘Martyrdoms are not losses, but are a matter of pride for Muslims,’ Saeed said. ‘Osama bin Laden has rendered great sacrifices for Islam and Muslims, and these will always be remembered.’
LeT, one of the largest and best-funded Islamist militant organisations in South Asia, is blamed for the November 2008 assault on Mumbai, which killed 166 people in India’s commercial hub. Its founder, Saeed, now heads an Islamic charity, a group the United Nations says is a front for the militant group.
Western security analysts believe that LeT is linked to al-Qaeda, though LeT officials deny this.
Mujahid said thousands of Saeed’s followers, many of them often in tears, took part in the prayers.
Al-Qaeda leader bin Laden was shot dead by US special forces in an operation targeting a compound near Pakistan’s main military academy in the northwestern garrison town of Abbottabad early on Monday.
Saeed founded LeT in the 1990s but abandoned its leadership after India blamed it and another militant group for an attack on the Indian parliament in December 2001.

‘Osama is alive!’ mock Pakistanis outside bin Laden home
Dozens of Pakistani youths on Tuesday demonstrated outside the upmarket compound where Osama bin Laden was killed, mocking the United States and shouting ‘Osama is alive!’
Unconvinced by news that the al-Qaeda kingpin had been living in their leafy city of Abbottabad, one protester dressed up as the world’s ‘most-wanted’ man, who was killed in a helicopter raid by US commandos.
‘Osama is alive, here comes Osama!’ he exclaimed jokingly, donning a white turban and hiding his face with a cloth,